মাত্র ১৫ সেকেন্ডে জান্নাতের মেহমান,,,,,,,,,,,,,,মুহাম্মদ কিফায়তুল্লাহ শফিক ,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,ইমাম নাসাঈ ও ইবনে সুন্নি রহমাতুল্লাহি আলায়হিমা কর্তৃক বর্ণিত হাদীস শরীফে হযরত আবু উমামাহ (রঃ) থেকে বলা হয়েছে, রহমতে আলম (সঃ) বলেন,প্রত্যেক ফরয নামায শেষে কুরআন শরীফের সর্ববৃহৎ আয়াত তথা 'আয়াতুল কুরসী' যে ব্যক্তি তিলাওয়াত করবে তার জন্য জান্নাতে প্রবেশ করতে মৃত্যু ছাড়া আর কোন বাধা থাকবে না ৷ অর্থাৎ মৃত্যুর পরেই তার স্থান হবে জান্নাত ৷ এই আয়াত একবার পড়তে সময় লাগে মাত্র পনের সেকেন্ড ৷ 'সুবহানাল্লাহ' 'কতো মহান আল্লাহ!' মাত্র পনেরো সেকেন্ডের শ্রম! সরাসরি জান্নাত! ' 'যে কোন মুসলিম নর-নারী নিয়মিত এই আমল করে নিজেকে জান্নাতবাসীদের অন্তর্ভুক্ত করতে পারে না? ' 'আল্লাহ তা'আলা রাজি থাকলে নিশ্চয় পারে ৷' আল্লাহ তা'আলা সমস্ত মুসলমান কে নিয়মিত এই আমল করার তাওফীক দান করুক ৷ তিনিই একমাত্র তাওফীকের মালিক ৷ তারই দেয়া শক্তিতে আমরা সবকিছু করি ৷ পড়ুন একবার আল্লাহ তা'আলার পরিচয় বিশিষ্ট অতীব গুরুত্বপূর্ণ সেই আয়াতুল কুরসী ৷ হাদীস শরীফে হযরত আবু উমামহ (রঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূল (সঃ) ইরশাদ করেন, ''যে কেউ প্রত্যেক ফরয নামায শেষে 'আয়াতুল কুরসী' পাঠ করবে তার জান্নাতে প্রবেশ করতে মৃত্যু ছাড়া আর কোন বাধা থাকবে না ৷ মানে হচ্ছে, সে জান্নতে প্রবেশ করতে শুধুমাত্র মৃত্যুই প্রতিবন্ধক ৷ যখনই সে মৃত্যুসুধা পান করবে তখনই দয়ালু প্রভুর সীমাহীন করুণায় সে জান্নাতে স্থান করে নিবে ৷ ইমাম আহমদ (রঃ)এর এক বর্ণনানুসারে রাসূল (সঃ) 'আয়াতুল কুরসী'কে পূর্ণ কুরআনের এক চতুর্থাংশ বলে আখ্যায়িত করেছেন ৷ আর যদি 'আয়াতুল কুরসী' পাঠে পূর্ণ কুরআন শরীফের এক চতুর্থাংশের নিয়্যত করা হয় তবে তা বর্ধিত ছাওয়াব হাসিল হবে ৷